ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৫ চৈত্র, ১৪৩২, ৯ এপ্রিল ২০২৬

কর্মস্থল খাগরাছড়ি চিকিৎসা দেন মধুপুরের ক্লিনিকে ডা. তারেক

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১৬ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

কর্মস্থল খাগরাছড়ি চিকিৎসা দেন মধুপুরের ক্লিনিকে ডা. তারেক

আলকামা সিকদার | টাঙ্গাইল |

ডা. তারেকুল ইসলাম তারেকে। বর্তমান কর্মস্থল খাগরাছড়ি জেলার পানছড়ি উপজলা স্বাস্থকমপ্লেক্স। তিনি বর্তমান কর্মস্থল ফাঁকি দিয়ে অন্য জেলা টাঙ্গাইলের মধুপুর ও ধনবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন ক্লিনিকে এনেস্থেসিয়ালিস্টের দায়িত্ব পালন করছেন মর্মে অভিযোগ উঠেছে।বর্তমানে দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় পানছড়ি উপজেলাবাসী স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।জানা যায়, ডা. মো. তারেকুল ইসলাম তারেক খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জুনিয়র কনসালটেন্ট (এনেস্থেসিয়া) হিসেবে যোগদান করেন ২০২৫ সালের মার্চ মাসে। তারপর থেকেই তিনি নানা অজুহাতে অনুপস্থিত রয়েছেন ওই কর্মস্থলে। দায়িত্ব অবহেলার কারণে মধুপুর থেকে খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিনিয়র কনসালটেন্ট এনেস্থেসিয়ালিস্ট হিসেবে বদলি করেন কতৃপক্ষ ।

যোগদানের পর থেকেই তিনি অনুপস্থিত রয়েছেন নানা অযুহাতে। সে সময় থেকে মধুপুর এসে নিয়মিত বিভিন্ন ক্লিনিকের অপারেশন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পাশাপাশি অজ্ঞানের ডাক্তার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। মধুপুর ও ধনবাড়ী উপজেলার বেসরকারি চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অধিকাংশ ক্লিনিকেই তিনি প্রতিদিন বিভিন্ন অপারেশন চলাকালে অজ্ঞানের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবার দম ফেলার সময় থাকেনা তার। এক ক্লিনিক থেকে আরেক ক্লিনিকে ছুটেন আর অজ্ঞান করে চলে যান আরেক ক্লিনিকে। অনেক সময়ই অপারেশন শেষ হওয়ার আগেই অপারেশনরত চিকিৎসক ও ক্লিনিক মালিকদের বলে ছুটে যান আরেক ক্লিনিকে। ওটি রুম থেকে বের হয়েই তার পাওনা টাকা ক্লিনিকের ম্যানাজারদের নিকট থেকে বুঝে নিয়ে ছুটে চলেন অন্য ক্লিনিকে ওটির জন্য। এভাবেই সকাল 3থেকে রাত ১২-১টা পর্যন্ত চলে তার ব্যস্ততা। সপ্তাহের অন্যদিনগুলোতেও তার ব্যস্ততার শেষ নেই। ৫ এপ্রিল রোববার ডিজিটাল ক্লিনিক, চৌধুরী ক্লিনিকসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে অপারেশনে অজ্ঞানের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।মধুপুরের ডিজিটাল হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপক মনিরুজ্জামান জানান, তাদের চিকিৎসা সেবাকেন্দ্রে বিভিন্ন অপারেশনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সাথে ডা. তারেকুল ইসলাম তারেক এনেস্থেসিয়ার দায়িত্ব পালন করে থাকেন। আমাদের ডিজিটাল হাসপাতালেও তিনি প্রায়ই অজ্ঞানের চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।এ ব্যাপারে ডা. তারিকুল ইসলাম বলেন, আমার কর্মস্থল অনেক দূরে। বাড়ি টাঙ্গাইলের মধুপুরে। বলে কয়ে আমি অনুপস্থিত থাকি। এটা আমার ভুল হয়েছে।এ ব্যাপারে পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা অনুতোষ চাকমা বলেন, ডা. তারেকুল ইসলাম যোগদানের পর থেকেই দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা করছেন। মাসে কয়েকদিন দায়িত্ব পালন করেন। নানা অজুহাতে অনুপস্থিত থাকেন। ফেব্রুয়ারি মাসে দু-একদিন অফিস করেছেন। আজও সে অফিসে নেই। তাকে শোকজ করেছি।

<p><strong>কর্মস্থল খাগরাছড়ি চিকিৎসা দেন মধুপুরের ক্লিনিকে ডা. তারেক</strong></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>আলকামা সিকদার | টাঙ্গাইল |</strong></span></p><p><strong>ডা. তারেকুল ইসলাম তারেকে। বর্তমান কর্মস্থল খাগরাছড়ি জেলার পানছড়ি উপজলা স্বাস্থকমপ্লেক্স। তিনি বর্তমান কর্মস্থল ফাঁকি দিয়ে অন্য জেলা টাঙ্গাইলের মধুপুর ও ধনবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন ক্লিনিকে এনেস্থেসিয়ালিস্টের দায়িত্ব পালন করছেন মর্মে অভিযোগ উঠেছে।বর্তমানে দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় পানছড়ি উপজেলাবাসী স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।জানা যায়, ডা. মো. তারেকুল ইসলাম তারেক খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জুনিয়র কনসালটেন্ট (এনেস্থেসিয়া) হিসেবে যোগদান করেন ২০২৫ সালের মার্চ মাসে। তারপর থেকেই তিনি নানা অজুহাতে অনুপস্থিত রয়েছেন ওই কর্মস্থলে। দায়িত্ব অবহেলার কারণে মধুপুর থেকে খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিনিয়র কনসালটেন্ট এনেস্থেসিয়ালিস্ট হিসেবে বদলি করেন কতৃপক্ষ ।</strong></p><p>যোগদানের পর থেকেই তিনি অনুপস্থিত রয়েছেন নানা অযুহাতে। সে সময় থেকে মধুপুর এসে নিয়মিত বিভিন্ন ক্লিনিকের অপারেশন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পাশাপাশি অজ্ঞানের ডাক্তার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। মধুপুর ও ধনবাড়ী উপজেলার বেসরকারি চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অধিকাংশ ক্লিনিকেই তিনি প্রতিদিন বিভিন্ন অপারেশন চলাকালে অজ্ঞানের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবার দম ফেলার সময় থাকেনা তার। এক ক্লিনিক থেকে আরেক ক্লিনিকে ছুটেন আর অজ্ঞান করে চলে যান আরেক ক্লিনিকে। অনেক সময়ই অপারেশন শেষ হওয়ার আগেই অপারেশনরত চিকিৎসক ও ক্লিনিক মালিকদের বলে ছুটে যান আরেক ক্লিনিকে। ওটি রুম থেকে বের হয়েই তার পাওনা টাকা ক্লিনিকের ম্যানাজারদের নিকট থেকে বুঝে নিয়ে ছুটে চলেন অন্য ক্লিনিকে ওটির জন্য। এভাবেই সকাল 3থেকে রাত ১২-১টা পর্যন্ত চলে তার ব্যস্ততা। সপ্তাহের অন্যদিনগুলোতেও তার ব্যস্ততার শেষ নেই। ৫ এপ্রিল রোববার ডিজিটাল ক্লিনিক, চৌধুরী ক্লিনিকসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে অপারেশনে অজ্ঞানের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।মধুপুরের ডিজিটাল হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপক মনিরুজ্জামান জানান, তাদের চিকিৎসা সেবাকেন্দ্রে বিভিন্ন অপারেশনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সাথে ডা. তারেকুল ইসলাম তারেক এনেস্থেসিয়ার দায়িত্ব পালন করে থাকেন। আমাদের ডিজিটাল হাসপাতালেও তিনি প্রায়ই অজ্ঞানের চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।এ ব্যাপারে ডা. তারিকুল ইসলাম বলেন, আমার কর্মস্থল অনেক দূরে। বাড়ি টাঙ্গাইলের মধুপুরে। বলে কয়ে আমি অনুপস্থিত থাকি। এটা আমার ভুল হয়েছে।এ ব্যাপারে পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা অনুতোষ চাকমা বলেন, ডা. তারেকুল ইসলাম যোগদানের পর থেকেই দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা করছেন। মাসে কয়েকদিন দায়িত্ব পালন করেন। নানা অজুহাতে অনুপস্থিত থাকেন। ফেব্রুয়ারি মাসে দু-একদিন অফিস করেছেন। আজও সে অফিসে নেই। তাকে শোকজ করেছি।</p>

জেলার খবর

play storeapp store