ঢাকা, শুক্রবার, ২৬ চৈত্র, ১৪৩২, ১০ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের এলাকায় মজুতদারীর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স-৭২ ঘণ্টার বেশি কোনো লাইটার বা কোস্টার জাহাজ থাকতে পারবেনা

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

চট্টগ্রাম বন্দরের এলাকায় মজুতদারীর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স-৭২ ঘণ্টার বেশি কোনো লাইটার বা কোস্টার জাহাজ থাকতে পারবেনা

এনামুল হক রাশেদী | চট্টগ্রাম |

জ্বালানি ও ভোজ্য তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধ এবং বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখতে চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় ৭২ ঘণ্টার বেশি কোনো পণ্যবাহী লাইটারেজ ও কোস্টার জাহাজকে অবস্থান করতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে কার্যকর করা হচ্ছে।এ লক্ষ্যে কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেছে। গতকাল বুধবার কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, যে কোনো ধরনের মজুতদারীর বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী জ্বালানি ও ভোজ্য তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে বহির্নোঙরসহ চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় বিভিন্ন লাইটারেজ ও কোস্টার জাহাজে বিপুল পরিমাণ পণ্য অবৈধভাবে মজুত করে রেখেছে—এমন তথ্য গোপন সূত্রে পাওয়া যায়।এর প্রেক্ষিতে কোস্ট গার্ড বেইস চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, নৌ পরিবহন অধিদপ্তর এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে গতকাল দুপুর ১২টা থেকে বহির্নোঙরসহ বন্দরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থানকারী লাইটারেজ ও কোস্টার জাহাজে অভিযান পরিচালনা করা হয়।কোস্ট গার্ড জানায়, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে চট্টগ্রাম বন্দর ও বহির্নোঙর এলাকায় সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বন্দরের নির্দেশনা অনুযায়ী ৭২ ঘণ্টার বেশি কোনো লাইটার বা কোস্টার জাহাজকে নোঙর এলাকায় অবস্থান করতে না দেওয়া, জ্বালানি ও ভোজ্য তেলবাহী জাহাজ দ্রুত গন্তব্যে পাঠানো এবং আইন অমান্যকারী জাহাজের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।এ সময় কোস্ট গার্ড জাহাজ বিসিজিএস ‘জয় বাংলা’-এর নেভিগেটিং কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট নাফিস ফুয়াদ বসনিয়া ব্রিফিং প্রদান করেন।কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

<p><strong>চট্টগ্রাম বন্দরের এলাকায় মজুতদারীর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স-৭২ ঘণ্টার বেশি কোনো লাইটার বা কোস্টার জাহাজ থাকতে পারবেনা</strong></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>এনামুল হক রাশেদী | চট্টগ্রাম |</strong></span></p><p><strong>জ্বালানি ও ভোজ্য তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধ এবং বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখতে চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় ৭২ ঘণ্টার বেশি কোনো পণ্যবাহী লাইটারেজ ও কোস্টার জাহাজকে অবস্থান করতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে কার্যকর করা হচ্ছে।এ লক্ষ্যে কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেছে। গতকাল বুধবার কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, যে কোনো ধরনের মজুতদারীর বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।</strong></p><p>কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী জ্বালানি ও ভোজ্য তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে বহির্নোঙরসহ চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় বিভিন্ন লাইটারেজ ও কোস্টার জাহাজে বিপুল পরিমাণ পণ্য অবৈধভাবে মজুত করে রেখেছে—এমন তথ্য গোপন সূত্রে পাওয়া যায়।এর প্রেক্ষিতে কোস্ট গার্ড বেইস চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, নৌ পরিবহন অধিদপ্তর এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে গতকাল দুপুর ১২টা থেকে বহির্নোঙরসহ বন্দরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থানকারী লাইটারেজ ও কোস্টার জাহাজে অভিযান পরিচালনা করা হয়।কোস্ট গার্ড জানায়, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে চট্টগ্রাম বন্দর ও বহির্নোঙর এলাকায় সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বন্দরের নির্দেশনা অনুযায়ী ৭২ ঘণ্টার বেশি কোনো লাইটার বা কোস্টার জাহাজকে নোঙর এলাকায় অবস্থান করতে না দেওয়া, জ্বালানি ও ভোজ্য তেলবাহী জাহাজ দ্রুত গন্তব্যে পাঠানো এবং আইন অমান্যকারী জাহাজের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।এ সময় কোস্ট গার্ড জাহাজ বিসিজিএস ‘জয় বাংলা’-এর নেভিগেটিং কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট নাফিস ফুয়াদ বসনিয়া ব্রিফিং প্রদান করেন।কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।</p>

জেলার খবর

play storeapp store