ঢাকা, শুক্রবার, ২৬ চৈত্র, ১৪৩২, ১০ এপ্রিল ২০২৬

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘিরে অসন্তোষ,মূল হোতারা রয়ে গেছে আড়ালে

বিশেষ প্রতিবেদন || Special Report

০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫১ অপরাহ্ন


FacebookLinkedIn
WhatsAppMessenger
News image

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘিরে অসন্তোষ,মূল হোতারা রয়ে গেছে আড়ালে

‎শাফিকুজ্জামান সোহেল | ‎রংপুর প্রতিনিধি |

‎‎জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পুলিশের গুলিতে নিহত শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হলেও তা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মামলার সাক্ষী, সহপাঠী ও আন্দোলনে অংশ নেওয়া সহযোদ্ধারা। তাদের অভিযোগ, হত্যার মূল নির্দেশদাতা ও নেপথ্যের কুশীলবরা উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আসেননি।বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর সদস্যরা হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।‎রায়ে ৩০ আসামির মধ্যে দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বাকি আসামিদের অপরাধের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।‎রায়ের প্রতিক্রিয়ায় সাক্ষী ইমরান হোসেন বলেন, রায় ঘোষণার বিষয়টি ইতিবাচক হলেও শাস্তির মাত্রা প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। তার ভাষ্য, “যাদের নির্দেশে এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তারা সর্বোচ্চ শাস্তি পায়নি। অনেক জড়িত ব্যক্তিকেই মামলার বাইরে রাখা হয়েছে।‎বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও আরেক সাক্ষী আরমান হোসেন বলেন, “যারা সেদিন আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছিল, তাদের অনেকেই উপযুক্ত শাস্তি পায়নি। এই রায়ে আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা হতাশ।‎ঘটনাস্থলে আবু সাঈদের পাশে থাকা গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য হানিফুর রহমান সজিবের দাবি, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ মদদেই গুলি চালানো হয়েছিল। “অথচ তাদের অনেককে লঘু শাস্তি দেওয়া হয়েছে, যা ন্যায়বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে,বলেন তিনি।‎জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক শামসুর রহমান সুমন বলেন, “হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট তৈরি করা ব্যক্তিদেরও দায় রয়েছে। কিন্তু তাদের ক্ষেত্রে লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আমরা সরকারের কাছে শাস্তির মাত্রা পুনর্বিবেচনার দাবি জানাই।‎উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বুক পেতে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় পুলিশের গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ। দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে থাকা তার ওপর গুলি চালানোর দৃশ্যের ভিডিও দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং তা পরবর্তী স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

<p><strong>আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘিরে অসন্তোষ,মূল হোতারা রয়ে গেছে আড়ালে</strong></p><p><span style="color: rgb(229, 57, 53);"><strong>‎শাফিকুজ্জামান সোহেল | ‎রংপুর প্রতিনিধি |</strong></span></p><p><strong>‎‎জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পুলিশের গুলিতে নিহত শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হলেও তা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মামলার সাক্ষী, সহপাঠী ও আন্দোলনে অংশ নেওয়া সহযোদ্ধারা। তাদের অভিযোগ, হত্যার মূল নির্দেশদাতা ও নেপথ্যের কুশীলবরা উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আসেননি।বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর সদস্যরা হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।‎রায়ে ৩০ আসামির মধ্যে দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।</strong></p><p>বাকি আসামিদের অপরাধের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।‎রায়ের প্রতিক্রিয়ায় সাক্ষী ইমরান হোসেন বলেন, রায় ঘোষণার বিষয়টি ইতিবাচক হলেও শাস্তির মাত্রা প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। তার ভাষ্য, “যাদের নির্দেশে এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তারা সর্বোচ্চ শাস্তি পায়নি। অনেক জড়িত ব্যক্তিকেই মামলার বাইরে রাখা হয়েছে।‎বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও আরেক সাক্ষী আরমান হোসেন বলেন, “যারা সেদিন আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছিল, তাদের অনেকেই উপযুক্ত শাস্তি পায়নি। এই রায়ে আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা হতাশ।‎ঘটনাস্থলে আবু সাঈদের পাশে থাকা গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য হানিফুর রহমান সজিবের দাবি, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ মদদেই গুলি চালানো হয়েছিল। “অথচ তাদের অনেককে লঘু শাস্তি দেওয়া হয়েছে, যা ন্যায়বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে,বলেন তিনি।‎জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক শামসুর রহমান সুমন বলেন, “হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট তৈরি করা ব্যক্তিদেরও দায় রয়েছে। কিন্তু তাদের ক্ষেত্রে লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আমরা সরকারের কাছে শাস্তির মাত্রা পুনর্বিবেচনার দাবি জানাই।‎উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বুক পেতে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় পুলিশের গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ। দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে থাকা তার ওপর গুলি চালানোর দৃশ্যের ভিডিও দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং তা পরবর্তী স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় ঘুরিয়ে দেয়।</p>

জেলার খবর

play storeapp store