জাতীয়
নতুন আশা নতুনত্বের ছোঁয়ায়সময় বাংলার |
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,
প্রকাশ : ৩১ জুলাই ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ন
বিশ্ববাজারে সমাদৃত হচ্ছে নীলফামারীর সৈয়দপুরের বাঁশের পণ্য। নতুনত্বের ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে গ্রামীণ জীবনের গল্প। সৈয়দপুরের একটি ছোট্ট গ্রামের উঠান থেকে তৈরি হওয়া বাঁশের পণ্য আজ জায়গা করে নিচ্ছে আমেরিকা, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে। একসময় শুধু স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণের জন্য তৈরি হওয়া ঝুড়ি, শোপিস কিংবা গৃহসজ্জার সামগ্রী এখন বিদেশি ক্রেতাদের কাছেও সমান জনপ্রিয়। পরিবেশবান্ধব পণ্যের বৈশ্বিক চাহিদা বাড়তে থাকায় উত্তরাঞ্চলের এই কুটিরশিল্প নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে।
সৈয়দপুরের উত্তর সোনাখুলি ডাঙ্গাপাড়া এলাকার উদ্যোক্তা হাজীমুল ইসলাম সেই পরিবর্তনেরই এক উজ্জ্বল উদাহরণ। কয়েক বছর আগেও তিনি ছিলেন ঘরের সেলিং মিস্ত্রি। সীমিত আয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতেন। কিন্তু নিজের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে প্রচলিত পেশার বাইরে গিয়ে ভিন্ন কিছু করার ইচ্ছা তাকে নতুন পথের সন্ধান দেয়। স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য বাঁশকে কেন্দ্র করে তিনি ইউটিউব দেখে শুরু করেন ছোট পরিসরে হস্তশিল্প পণ্য তৈরির কাজ। ধীরে ধীরে নিজস্ব নকশা, মানসম্মত উৎপাদন এবং ক্রেতাদের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে তার উদ্যোগ বড় হতে থাকে। বর্তমানে তার কারখানায় তৈরি হচ্ছে বাঁশের ঝুড়ি, ফলের ঝুড়ি, ফুনদানি, ল্যাম্পশেড, ওয়াল ডেকোরেশন, গৃহসজ্জার বিভিন্ন সামগ্রী, ছোট আসবাব এবং নানা ধরনের শৌখিন হস্তশিল্প। প্রতিটি পণ্যই হাতে তৈরি হওয়ায় এতে থাকে স্বকীয়তা এবং নান্দনিকতার ছোঁয়া। বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানে স্থানীয় প্রায় ২০ নারী-পুরুষ নিয়মিত কাজ করছেন।
হাজীমুল ইসলাম বলছিলেন, ধীরে ধীরে ভালো মানের পণ্য তৈরি এবং ক্রেতাদের আস্থা অর্জনের ফলে কাজের পরিধি বেড়েছে। বর্তমানে অনলাইনভিত্তিক বিপণন, বিভিন্ন প্রদর্শনী এবং রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের তৈরি পণ্য বিদেশে পৌঁছাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী নতুন নতুন নকশার পণ্য তৈরির চেষ্টাও চলছে।সৈয়দপুর বিসিক শিল্পনগরীর কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমানের জানালেন, উদ্যোক্তা হাজীমুল ইসলামকে বিসিক নিয়মিতভাবে পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি বিসিক থেকে ক্ষুদ্র ঋণও দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ADVERTISEMENT
331 × 238 px
স্লাইড 1 / 3
আগস্ট ২০২৬
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
শনি
রবি