জাতীয়
লাঠিয়াল বাহিনী নয় পুলিশ কোনো গোষ্ঠীর বা দলের:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসময় বাংলার |
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,
প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করে নবীন কর্মকর্তাদের পূর্ণ সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। তিনি কর্মকর্তাদের সতর্ক করে বলেন, পেশাগত জীবনে কোনো ধরণের অনিয়ম বা ক্ষমতার অপব্যবহার যেন তাদের স্পর্শ করতে না পারে। বিগত শাসনের সময় পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি যে ক্ষতি হয়েছে, তা পুনরুদ্ধারের জন্য মানবিক আচরণ ও নিরপেক্ষতার বিকল্প নেই বলেও তিনি মনে করেন। গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে সাধারণ মানুষ যেন পুলিশি সেবার জন্য এসে কোনো হয়রানির শিকার না হন, সেটি নিশ্চিত করাই এখনকার প্রধান চ্যালেঞ্জ।
প্রযুক্তির উৎকর্ষতার এই যুগে সাইবার অপরাধ ও ডিজিটাল জালিয়াতি দমনে নবীন কর্মকর্তাদের কারিগরি পারদর্শিতা অর্জনের তাগিদ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, আধুনিক অপরাধ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং ব্যবস্থার কার্যকর প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী ৫৮ জন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারের মাঝে মেধার ভিত্তিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করেন মন্ত্রী।
প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে ড. মো. নূরুল হুদা ভূঁইয়া ‘বেস্ট প্রবেশনার’ ও ‘বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ’—এই দুই শাখায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন। এছাড়া আবু নুমান মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম ‘বেস্ট একাডেমিক অ্যাওয়ার্ড’ এবং এ বি এম মামুন ‘বেস্ট শ্যুটার’ নির্বাচিত হন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।মূলত জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করার মাধ্যমেই একটি উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে তুলে ধরেন।
বিজ্ঞাপন
ADVERTISEMENT
331 × 238 px
স্লাইড 1 / 3
আগস্ট ২০২৬
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
শনি
রবি