logo

জেলার খবর

১ কোটি ৫২ লাখ টাকার সীমানা প্রাচীর নির্মাণে অনিয়ম
প্রতিবেদক: মৌলভীবাজার |

০৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন

News image
ছবি: // প্রতিনিধি

মৌলভীবাজার জেলা মৎস্য অফিসের বাউন্ডারি সীমানা প্রাচীর নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর সংশ্লিষ্ট সৈকত এন্টারপ্রাইজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তার দিকে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজার জেলা মৎস্য অফিসের ১ কোটি ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে বাউন্ডারি হচ্ছে ২ হাজার ২০০ ফুট।নির্মাণকাজে নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, কংক্রিটের নির্ধারিত সাইজ অনুসরণ করা হচ্ছে না,ইট ধৌত না করেই ব্যবহার করা হচ্ছে, নি¤œমানের বালু ও অপর্যাপ্ত মানের সিমেন্ট দিয়ে কাজ চলছে। এছাড়া নির্মিত লিন্টেলগুলোতে বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি দেখা গেছে। অনেক লিন্টেল বাঁকা এবং একটির সঙ্গে আরেকটির প্রায় আধা ইঞ্চি পর্যন্ত ফাঁক রয়েছে।নতুন পিলার নির্মাণের ক্ষেত্রে পুরোনো পিলারের বিমের সঙ্গে রড জোড়া দিয়ে কাজ করা হয়েছে, যা নির্মাণমান ও নিরাপত্তার দিক থেকে প্রশ্নবিদ্ধ। এছাড়া সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্পের ব্যয়, ঠিকাদারের নাম, কাজের সময়সীমাসহ বিস্তারিত তথ্যসংবলিত সাইনবোর্ড নির্মাণস্থলে টানানো হয়নি।

অভিযোগকারীদের দাবি, জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনেই কাজ চললেও নির্মাণের মান তদারকিতে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে যথাযথ নজরদারির অভাব রয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।এদিকে প্রকল্পটিতে প্রতি বর্গফুট সীমানা প্রাচীর নির্মাণে প্রায় ৬ হাজার ৮৬৩ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, এই ব্যয়ে একটি বহুতল ভবন নির্মাণও সম্ভব। মৌলভীবাজার জেলা মৎস্য অফিস তথ্য জন্য সকাল ১১ টায় গিয়ে দেখা যায় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা অফিসে নেই। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,অনিয়ম তো চোখের সামনেই। কিন্তু আমরা যে অনিয়ম দেখছি, তা হলো পিলারগুলোর সাইজ ঠিক নেই। কোথাও বড়, কোথাও ছোট। এ ছাড়া, পিলারের কাঠের শাটার খুলে ফেলার পর অনেক জায়গায় বড় বড় ছিদ্র দেখা যাচ্ছে। এতে নির্মাণকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাঁরা অবশ্যই বলবেন যে সবকিছু নিয়ম মেনেই হচ্ছে। কারণ তাঁরা কাজ করছেন, তাই সব সময়ই দাবি করবেন যে কাজ নিয়মের মধ্যেই আছে।এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মিস্ত্রি শেখ জসিম উদ্দিন বলেন, ভিতরে ফাঁফা পুরন করা যাবে কি ভাবে প্রশ্ন করলে উত্তর দিতে পারেননি।বড় ধরনের কোনো ফাটল নেই। ছোটখাটো কিছু ছিদ্র বা ফাঁকা থাকতে পারে। ইট ভিজিয়েই ব্যবহার করা হয়। আমরা কাজে কোনো অনিয়ম করছি না। আমাদের কাছে কোনো ত্রুটি ধরা পড়েনি। আমরা নিয়ম মেনেই সঠিকভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি।"মৌলভীবাজার জেলা মৎস্য অফিসের সীমানা প্রাচীর নির্মানের ঠিকাদার সৈকত এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধীকারি মোবারক হোসেন লিটু বলেন, ঘটনা হচ্ছে এটা আমাদের জাতীয় সম্পদ ঠিক না। এটা আপনাদেরও দায়িত্ব আছে সুন্দরভাবে দেখাশোনা করা। আমার কাজে কোন ত্রুটি দেখছি না। আপনি যে অভিযোগ করেছেন সেটা অবশ্যই আমলে নিয়ে আমরা এটা দেখব।প্রকৌশলী রিপন কুমার তালুকদারকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে ফোন রিসিভ করেননি।এব্যাপারে জেলা মৎস্য অফিসার ড. মো: আরিফ হোসেন বলেন, বলেন, কোনো অনিয়ম হচ্ছে না। আমার ইঞ্জিনিয়ার আছে, স্টাফদের রোস্টার করে দেয়া আছে। তবুও আমি আর অনিয়ম তো আমার ইঞ্জিনিয়ার আছে, ইঞ্জিনিয়ারকে মনিটর করতে বলবো। স্ট্রাকচার তো শেষ, এখন শুধু রং করা বাকি। লোকবল কম আছে। ৪ জেলায় একজন ইঞ্জিনিয়ার। আমি দেখতেছি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ADVERTISEMENT

336 × 400 px

স্লাইড 1 / 3

ক্যালেন্ডার
তারিখ নির্বাচন করুন

জুলাই ২০২৬

সোম

মঙ্গল

বুধ

বৃহ

শুক্র

শনি

রবি


সম্পাদক: প্রকাশক / রুবেল ইসলাম তাহমিদ

ফোন : 01711144421 / 01671112000

ই-মেইল: somoyrubel@gmail.com


somoybanglar  is one of the most popular Bangla online news portals in Bangladesh. We deliver reliable, timely, and in-depth coverage of current affairs, national and international news, special reports, and trending events. With a commitment to accuracy and neutrality, somoybanglar aims to keep readers informed with credible journalism and insightful analysis around the clock.

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬

Developed by SoftStation71