রাজনীতি

বাংলাদেশে স্থগিত করল ক্রয়াদেশ পোলিশ পোশাক জায়ান্ট এলপিপি
সময় বাংলার

সময় বাংলার

| ডেস্ক

প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৪৬ অপরাহ্ন

News image
গুগল ম্যাপ লাইভ স্যাটেলাইট

চিঠিতে এলপিপি উল্লেখ করেছে যে, তারা তাদের ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক কৌশল পর্যালোচনা করছে এবং এই সময়কালে বাংলাদেশে সব ধরনের নতুন ক্রয়াদেশ ও পণ্য উন্নয়ন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে তারা পোশাক সংগ্রহের জন্য বাংলাদেশ ছেড়ে অন্য কোনো বিকল্প দেশে উৎপাদনের সুযোগ খোঁজার বিষয়েও ইঙ্গিত দিয়েছে। মূলত পাওনা আদায়ের লক্ষ্যে বাংলাদেশের রপ্তানিকারক ও বায়িং হাউসগুলো আইনি প্রক্রিয়া শুরু করায় এলপিপি এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানা গেছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আলোচনার পূর্বশর্ত হিসেবে সব মামলা প্রত্যাহারের চাপ দেওয়া হচ্ছে।

এই বিরোধের সূত্রপাত হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর। সে সময় সরাসরি ব্যবসায়িক জটিলতা এড়াতে এলপিপির গ্যারান্টিতে ‘এফইএস রিটেইল’ নামক একটি রুশ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পোশাক সরবরাহ করেছিল বাংলাদেশের অন্তত ৪০টি কারখানা। তবে পণ্য পৌঁছানোর পর দীর্ঘ দেড় বছর পার হলেও কোনো অর্থ পরিশোধ করা হয়নি। সম্প্রতি এলপিপি ওই রুশ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাদের সরাসরি দেনা-পাওনার সম্পর্ক অস্বীকার করায় সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। উল্লেখ্য যে, এলপিপি বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর প্রায় ৭০ কোটি ডলারের পোশাক সংগ্রহ করে থাকে।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিকেএমইএ) ক্ষতিগ্রস্ত কারখানা মালিকদের সাথে জরুরি বৈঠক করেছে। সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পাওনা পরিশোধ না করলে এলপিপিকে বাংলাদেশে কালো তালিকাভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির এই অনিয়মের বিষয়টি ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে তুলে ধরার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে, রপ্তানিকারকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে তারা গত দেড় বছর ধরে পাওনা চেয়ে বারবার যোগাযোগ করলেও কোনো ইতিবাচক ফল পাননি। এক পর্যায়ে এলপিপি বকেয়া অর্থের ৫০ শতাংশ ছাড়ের প্রস্তাব দিলেও তা স্থানীয় কারখানাগুলোর জন্য মেনে নেওয়া সম্ভব ছিল না। বর্তমানে এই অচলাবস্থার কারণে বহু কারখানায় বিপুল পরিমাণ তৈরি পোশাক ও কাঁচামাল অবিক্রীত অবস্থায় পড়ে আছে, যা সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলেছে। মূলত পাওনা না মেটানোর একটি অপকৌশল হিসেবেই এলপিপি এই একপক্ষীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।

ULTRA

বিজ্ঞাপন

ADVERTISEMENT

331 × 238 px

স্লাইড 1 / 3

ক্যালেন্ডার
তারিখ নির্বাচন করুন

আগস্ট ২০২৬

সোম

মঙ্গল

বুধ

বৃহ

শুক্র

শনি

রবি