বিজ্ঞাপন
AD
161×600
বিশ্ব
মুন্সীগঞ্জে পানি বাড়তে শুরু ডিঙ্গী নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররারুবেল ইসলাম তাহমিদ
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | সময় বাংলার |
প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ন
ডিঙ্গী নৌকা হলো একটি ছোট ও হালকা আকাররে নৌকা, যা দিয়ে সাধারণত বৈঠা, পাল বা ছোট ইঞ্জনি দিয়ে ছোট নদী, খাল বা জলাশয়ে চালানো হয়। এটি মূলত মাছ ধরা, পারাপার বা বড় জাহাজরে সাহায্যকারী নৌকা হিসেবে ব্যবহার করা হয়।নদী মার্তিক জেলার মধ্যে অন্যতম জেলা মুন্সীগঞ্জ, এখানে রয়েছে ছয় টি উপজেলা যার ৪ টি উপজেলা নদীর পার ঘেসা এবং বেশির ভাগ নিচু জমি।পদ্মা, মেঘনা, ধলেশ্বরী, রজত রেখা, ইছামতী নদী বেষ্টিত মুন্সীগঞ্জ জেলা। আর ভূ খন্ডটি নিচু হওয়ায় এখানকার মানুষের অন্যতম চাহিদা বর্ষা এলেই ডিঙ্গী নৌকা এক মাত্র ভরসা
শত বছর আগে থেকেই।বর্ষার পানি বাড়ার সাথে সাথে এখানকার উপজেলা ও গ্রামগুলোসহ আনাচে-কানাচে বেশির ভাগ, লৌহজং ও শ্রীনগর সিরাজদিখান, এর বিভিন্ন এলাকায় মৌসুমি ডিঙ্গি ছাড়া চলাচলে একে বাড়েই অকেজু হয়ে পড়ে তাই চলতি মৌসুমে।নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে মাঝি ও মিস্ত্রীরা। আশ-পাশের ইউনিয়ন গুলোতে গৃহস্থালি কাজে এবং খেয়া পারাপারে ও গো-খাদ্যের জন্য কোষা ও ডিঙি নৌকার কদর বেড়ে গেছে কয়েকগুণ।আর এ সুবাদে লৌহজয়ের, গোয়ালীমান্ডা ষ্ট্র্যান্ডের পাশে গড়ে উঠেছে ডিঙি ও কোষা নৌকা তৈরী ও বিক্রির বাজার।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকার দূর-দূরান্ত থেকে প্রতিদিন ক্রেতারা তাদের পছন্দসই নৌকা এখান থেকে কিনে থাকেন। এদিকে ইছামতি,ধলেশ্বরী নদী ঘেরা সিরাজদিখান উপজেলার প্রায় অর্ধেক অংশ বর্ষা শুরু হওয়ার সাঙ্গে সঙ্গে প্লাবিত হয়ে থাকে। বর্ষা মৌসুম এলেই এই এলাকার মানুষের চলাচলের প্রধান বাহন হিসেবে নৌকা ব্যবহার করে থাকে।উপজেলার নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলিতে স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রীরা নৌকার মাধ্যমে স্কুলে যাতায়াত করে থাকে। বর্ষার শুরুতেই এলাকার মৌসুমি জেলেরা নৌকা দিয়ে রাত দিন মাছ শিকারে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।উপজেরার মাওয়া নিচু এলাকার বাসিন্দারা নৌকার মাধ্যমে খেয়া পার হয়ে এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রাম ও স্কুল, কলেজ, হাট বাজারে পাড়াপাড় হয়ে থাকে।
উপজেলার শ্রীনগর, লৌহজং, সিরাজদিখান,ইছাপুরা,রাজানগর,বালুচর, কালীনগর ,কষ্ণনগর,চর বয়রাগাদী, পাইনারচর, শেখরনগর, ভাড়ারিয়া, মধ্যপাড়া, খারশুল, চিত্রকোট ইউনিয়নের বেশ কিছু নৌকার ব্যবহার হচ্ছে যুগ যুগ ধরে। এসব গ্রামে প্রায় বাড়িতেই বর্ষাকালে যাতায়াতের জন্য একটি করে নৌকা রয়েছে। এক সময় বর্ষা মৌসুমে এসব এলাকায় পালতুলা নৌকা চলতো।বিভিন্ন হাট বাজারে মালামাল আনা নেওয়ার জন্য গয়না, ডিঙ্গি নৌকার ব্যবহার হত। উপজেলার মেদিনীমন্ডল ইউনিয়ন, আক্কাছ ও লিমন, বলেন এ ইউনিয়নে, ছোট বেলা থেকেই বাবার সাথে নৌকা তৈরির কাজ দেখার জন্য বাজার হাটে জাইতাম। দেখতাম পোর বর্ষা এলেই নৌকা তৈরির কদর বেড়ে যায় সাড়া হাট জুরেই, জেন নৌকা তৈরীর এক মহাউৎসব সেখানে।
নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত কারিগর হাফিজ ও কামাল বলেন, নৌকা তৈরিতে বিশেষ কোন কাঠ নিদিস্ট ভাবে ব্যবহার হয় না। আগে ভালো ভালো কাঠ দিয়ে নৌকা তৈরী করতাম, এখন কড়াই, চাম্বল ও মেহগনি দিয়েই বেশী নৌকা তৈরি করি। নৌকা তৈরিতে কাঠ ছাড়াও মাটিয়া তৈল, আলকাতরা, তাড়কাটা, গজাল, পাতাম ইত্যাদি লাগে যা নৌকাকে দীর্ঘ দিন টিকসই রাখে।এক জনে প্রতিদিন একটি ডিঙ্গি নৌকা তৈরি করতে পারি। বার হাতের একটি নৌকা তৈরিতে ৪৫শ ৫৮শ টাকা খরচ হয় আর বিক্রি হয় সাত থেকে সারে সাত হাজার টাকায়। একটু ছোট ডিঙ্গি তৈরিতে ২২শ টাকা খরচ হয় বিক্রি হয় তিন থেকে সারে তিন হাজার টাকায়।
বিজ্ঞাপন
ADVERTISEMENT
331 × 238 px
স্লাইড 1 / 3
আগস্ট ২০২৬
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
শনি
রবি
গঙ্গাচড়ায় মেঝে খুঁড়ে ২,৭০৮ ই/য়া/বা উদ্ধারের দাবি,আটক ২ নারী
বেরোবিতে সংঘর্ষের ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি,৭ কর্মদিবসে প্রতিবেদন
হালুয়াঘাটে অতিবৃষ্টিতে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান বন্ধ
বাগেরহাটের মোংলায় উপকূলীয় এলাকায় পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্ট স্থাপন
বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লা/শ উদ্ধার
সিরাজগঞ্জে সিল্কসিটি এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত
পরিবেশ রক্ষায় টাঙ্গুয়ার হাওরে কঠোর নির্দেশনা
মৌলভীবাজারে ৮ হাজার পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
সংকটে ২১ হাজার জেলে,ঘণ্টার পর ঘণ্টা জাল টেনেও মিলছে না মাছ
বেসরকারি খাতে গেলে সমাধান নাকি নতুন দুর্ভোগ!
৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্য সরকারের চলতি অর্থবছরে
সরব একঝাঁক তারকা,শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে-দিল্লিতে, পাশে আলিয়া
মধ্যরাতে মোদির ভিডিও বার্তা-শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ভারতজুড়ে
আল-আকসা মসজিদে ঢুকে তাণ্ডব চালালো ইসরায়েলিরা বেন গাভিরের নেতৃত্বে
আগামী পাঁচ বছরে স্বর্ণের দাম হতে পারে দ্বিগুণ
ককরোচ জনতা পার্টির দাবি এবার- মোদির পদত্যাগ