বিজ্ঞাপন
AD
161×600
স্লাইড 1 / 3
জাতীয়
ম.ম.রবি-ডাকুয়া
বাগেরহাট, প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৩ অপরাহ্ন
ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো-জনপ্রিয় এই গানের স্রষ্টা কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর ৭০তম জন্মবার্ষিকী আজ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর)। তারুণ্য, সাম্য ও সংগ্রামের দীপ্ত প্রতীক এই কবিকে স্মরণ করতে তাঁর জন্মস্থান বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার মিঠেখালিতে দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে রুদ্র স্মৃতি সংসদ।
শুক্রবার সকালে কবির গ্রামের বাড়ি মিঠেখালিতে শোভাযাত্রাসহ তাঁর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, মিলাদ মাহফিল, দোয়া ও স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিকেলে মিঠেখালি ফুটবল মাঠে বাগেরহাট সোনালী অতীত ও মোংলা সোনালী অতীতের মধ্যে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় রুদ্র স্মৃতি সংসদ কার্যালয়ে কবির রচিত গান পরিবেশন করে তাঁর গড়া সংগঠন ‘অন্তর বাজাও’।
১৯৫৬ সালের ১৬ অক্টোবর জন্ম নেওয়া রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ বাংলা কবিতায় স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত। মাত্র ৩৫ বছরের জীবনে তিনি কবিতা, গান ও সাহিত্যচর্চার মধ্য দিয়ে নিজের জন্য তৈরি করেছেন অনন্য এক জায়গা। ১৯৯১ সালের ২১ জুন তাঁর অকালমৃত্যু হলেও তাঁর কবিতা ও গান আজও পাঠক-শ্রোতার হৃদয়ে গভীরভাবে জায়গা করে আছে।
রুদ্রর কবিতায় উঠে এসেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সাম্যবাদ, অসাম্প্রদায়িকতা, শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং বৈষম্যহীন সমাজের স্বপ্ন। ‘জাতির পতাকা আজ খামচে ধরেছে সেই পুরোনো শকুন’—এমন তীক্ষ্ণ উচ্চারণের পাশাপাশি তিনি শুনিয়েছেন আশাবাদের বাণী, ‘দিন আসবেই দিন সমতার’। অন্যায়, শোষণ ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে তাঁর দৃঢ় অবস্থান তাঁকে পরিণত করেছে তারুণ্যের প্রতিবাদী কণ্ঠে। একই সঙ্গে তাঁর কবিতায় রয়েছে প্রেম, স্বপ্ন, সৌন্দর্য ও মানবিক অনুভূতির নিবিড় প্রকাশ।
স্বল্পায়ু জীবনে রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ সাতটি কাব্যগ্রন্থসহ গল্প, কাব্যনাট্য এবং অর্ধশতাধিক গান রচনা ও সুরারোপ করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘উপদ্রুত উপকূল’ ও ‘ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম’। এ দুটি গ্রন্থের জন্য তিনি পরপর দুই বছর সংস্কৃতি সংসদ থেকে মুনীর চৌধুরী সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ও জাতীয় কবিতা পরিষদ গঠনেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।কবির রচিত ও সুরারোপিত ‘ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো’ গানটি দুই বাংলার শ্রোতাদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।গানটির জন্য তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির ১৯৯৭ সালের শ্রেষ্ঠ গীতিকারের সম্মাননা (মরণোত্তর) লাভ করেন।বাংলা সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৪ সালে তাঁকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।কবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মিঠেখালিতে আয়োজিত স্মরণানুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে তাঁর কবিতা, গান এবং সাম্য ও মানবমুক্তির আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কবির জন্মভূমিতে প্রতিবছরের মতো এবারও তাঁকে স্মরণ করতে নানা আয়োজন করেছেন তাঁর অনুরাগী, স্বজন ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা।
বিজ্ঞাপন
ADVERTISEMENT
331 × 238 px
স্লাইড 1 / 3
অক্টোবর ২০২৬
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
শনি
রবি
কবি রুদ্রর ৭০তম জন্মবার্ষিকী আজ,মোংলায় নানা আয়োজন
ভয়ংকর রূপ ধারণ করছে ডেঙ্গু ও হাম,হামে এখন পর্যন্ত মৃ/ত্যু ৪
ঠাকুরগাঁওয়ে রানীশংকৈলে অজ্ঞাত পুরুষের ম/রদে/হ উদ্ধার
দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ময়মনসিংহ সীমান্তে ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
মূল্যস্ফীতি কমলেই কি স্বস্তি ফেরে?পরিসংখ্যান ও মানুষের ক্রয়ক্ষমতার হিসাব
লালন থেকে সাঁইজি:গানে গানে মানবতার দর্শন
২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে রোগী ২৫৯,জনবল সংকট নিরসনে উদ্যোগ
সিনিয়র সাংবাদিক এমবি আলমের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন
শরণখোলায় স্থানীয় সরকার বাজেট প্রণয়ন বিষয়ে সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ
৭০ টি পূজা মন্ডবে অনুদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সামিউর রহমান সহকারী কমিশনার (ভূমি)
লৌহজংয়ে দুর্গাপূজা উপলক্ষে অসহায় নারীদের মধ্যে শাড়ি বিতরণ
শরণখোলায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন
রংপুরের শ্রেষ্ঠ জেলা নির্বাচিত নীলফামারী,সম্মাননা পেলেন পুলিশ সুপার
আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে দুর্যোগ মোকাবিলাবিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত
৩৭ পূজামণ্ডপে ৬০০ কেজি করে চাল বিতরণ-এমপি সালাম আজাদের
শরণখোলা উপজেলায় জাতীয় শিশু কন্যা দিবস উদযাপন