বিজ্ঞাপন

AD

161×600

স্লাইড 1 / 3

বিশ্ব

পায়ে হেঁটে মক্কার পথে ভূমিহীন দুলাল,স্বপ্ন দেখেই হজের নিয়ত

সময় বাংলার |

সময় বাংলার |

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট |

প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন

News image
গুগল ম্যাপ লাইভ স্যাটেলাইট

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুলাল হোসেন এক সন্তানের জনক। নিজের কোনো জমিজমা না থাকায় সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে বসবাস করেন। দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালান। হজে যাওয়ার ইচ্ছার কথা তিনি প্রথমে পরিবার, স্বজন ও গ্রামের মানুষকে জানান। পরে অন্যের বাড়িতে কাজ করে টাকা জমিয়ে পাসপোর্ট করেন। পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মঙ্গলবার সকালে পায়ে হেঁটে মক্কার উদ্দেশে রওনা হন।

দুলাল হোসেন বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ। হজে যাওয়ার মতো সামর্থ্য নেই। দুই মাস আগে স্বপ্নে হজ করতে দেখি। এরপরই নিয়ত করি, যেভাবেই হোক আল্লাহর ঘরে যাব। জানি হজ করতে কয়েক লাখ টাকা লাগে, যা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই কাজ করে পাসপোর্ট করেছি। একটি ব্যাগে কিছু কাপড়, জায়নামাজ আর হাতে বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে হাঁটা শুরু করেছি।তিনি জানান, বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ইরান ও ইরাক হয়ে সৌদি আরবে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁর ধারণা, পায়ে হেঁটে সেখানে পৌঁছাতে প্রায় সাত মাস সময় লাগতে পারে।

দুলাল আরও বলেন, ‘আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখলে হজ শেষে আবার পায়ে হেঁটে দেশে ফিরব। সরকারের কাছে অনুরোধ, যেন পথে কোনো দেশে অযথা বাধার মুখে না পড়ি। দেশবাসীর কাছে আমার জন্য দোয়া চাই। আমিও দেশ ও দেশের মানুষের জন্য দোয়া করব, ইনশাআল্লাহ।’

স্থানীয়দের ভাষ্য, সীমিত সামর্থ্য নিয়েও হজ পালনের দৃঢ় প্রত্যয় ও সাহসিকতার কারণে দুলালের এই যাত্রা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।ইউএনও আব্দুল্লাহ আল রিফাত বলেন, সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে ইউপি চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তার পরিবারের খোঁজ-খবর নিতে। দুলাল হোসেন শুধু পাসপোর্ট নিয়ে আবেগে হেঁটে রওনা দিয়েছেন। তবে ভিসা ছাড়া কোনো দেশে ঢুকতে পারবেন না তিনি। তার স্বপ্ন পূরণ করতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে সরকারিভাবে হজে পাঠানোর চেষ্টা করা হবে।

ULTRA

বিজ্ঞাপন

ADVERTISEMENT

331 × 238 px

স্লাইড 1 / 3

ক্যালেন্ডার
তারিখ নির্বাচন করুন

অক্টোবর ২০২৬

সোম

মঙ্গল

বুধ

বৃহ

শুক্র

শনি

রবি