বিজ্ঞাপন

AD

161×600

জাতীয়

অনলাইনে এসএসসি ও সমমানের ফল পুনঃনিরীক্ষণ আবেদন শুরু: যেভাবে আবেদন করতে হবে
সময় বাংলার |

সময় বাংলার |

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ন

News image
ছবি/ প্রতিনিধি

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণ (খাতা চ্যালেঞ্জ) প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এবার এসএমএসের মাধ্যমে আবেদনের পুরোনো পদ্ধতির পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ নতুন অনলাইন পোর্টাল চালু করেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীরা মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) থেকে আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ঘরে বসেই অনলাইনে আবেদনের সুযোগ পাবেন।

​যেভাবে অনলাইনে আবেদন করবেন

অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে পরীক্ষার্থীদের নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে:

1

ওয়েবসাইটে প্রবেশ ও তথ্য প্রদান

১১ থেকে ১৭ আগস্টের মধ্যে আবেদন করতে হবে

প্রথমেই বোর্ডের নির্ধারিত আবেদনের অফিসিয়াল পোর্টালে (https://sboard.teletalk.com.bd) প্রবেশ করুন। এরপর নির্ধারিত ঘরে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখে নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করে ‘Submit’ বাটনে ক্লিক করুন।

2

যোগাযোগের নম্বর প্রদান

পরবর্তী ধাপে একটি সচল মোবাইল নম্বর দিতে হবে। পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশের পর এই নম্বরেই এসএমএসের মাধ্যমে রেজাল্ট জানিয়ে দেওয়া হবে।

3

বিষয় নির্বাচন ও ফি পরিশোধ

মোবাইল নম্বর দেওয়ার পর শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফলের তালিকা দেখাবে। যে বিষয় বা বিষয়গুলোর ফল পুনঃনিরীক্ষণ করাতে চান, সেগুলো টিকচিহ্ন দিয়ে নির্বাচন করুন এবং ‘Pay Fee’ অপশনে যান।

4

ফি ও ফাইনাল সাবমিট

বিকাশ, নগদ বা সোনালী সেবার মাধ্যমে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করুন। ফি দেওয়ার পর পুনরায় অনলাইন পোর্টালে ফিরে এসে ‘Submit’ বাটনে ক্লিক করে আবেদন নিশ্চিত করতে হবে। শুধু ফি পরিশোধ করলেই আবেদন সম্পন্ন বলে গণ্য হবে না।ফি ও অন্যান্য নিয়মাবলী-প্রতি পত্রের ফি: প্রতি পত্রের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা। যেসব বিষয়ে দুটি পত্র (যেমন: বাংলা ও ইংরেজি) রয়েছে, সে ক্ষেত্রে দুটি পত্রের জন্যই পৃথকভাবে আবেদন করতে হবে এবং ৩০০ টাকা ফি দিতে হবে।

​একাধিক বিষয়ের সুযোগ: একবার আবেদনের পরও শিক্ষার্থী চাইলে একই প্রক্রিয়ায় নতুন বিষয়ে আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে নতুন করে মোবাইল নম্বর দিতে হবে না।সংশোধন ও বাতিল: ফি পরিশোধের পূর্বে ‘Delete’ অপশন ব্যবহার করে নির্বাচিত বিষয় পরিবর্তন করা যাবে। তবে একবার ফি পরিশোধ করা হয়ে গেলে আবেদন বাতিল বা টাকা ফেরত পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।ম্যানুয়াল আবেদন অগ্রহণযোগ্য: শিক্ষা বোর্ড থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, এবার কোনো ধরনের ম্যানুয়াল বা কাগজের আবেদন গ্রহণ করা হবে না। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া নির্ধারিত পোর্টালের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।

​কেন গুরুত্বপূর্ণ এই পুনঃনিরীক্ষণ-এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২.২৫ শতাংশ এবং মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১,১৬,৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। সার্বিক পাসের হার ও ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়া বহু শিক্ষার্থীর কাছে এই পুনঃনিরীক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।​শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এবার উত্তরপত্র আরও বিস্তৃত ও সূক্ষ্মভাবে পর্যালোচনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে পুনঃনিরীক্ষণ মানেই নম্বর বাড়বে—এমন নিশ্চয়তা নেই; কেবল নম্বর গণনা বা ফল তৈরিতে কোনো ভুল বা অসঙ্গতি থাকলে তা সংশোধন করে নতুন ফলাফল প্রকাশ করা হবে। নির্ধারিত সময়ের পর আর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলে শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে।

ULTRA

বিজ্ঞাপন

ADVERTISEMENT

331 × 238 px

স্লাইড 1 / 3

ক্যালেন্ডার
তারিখ নির্বাচন করুন

আগস্ট ২০২৬

সোম

মঙ্গল

বুধ

বৃহ

শুক্র

শনি

রবি